১. TACE (ট্র্যান্স আরটারিয়াল কেমো এমবলাইনজেশন) লিভার ক্যান্সার
২। RFA (রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি এব্লেশন)
৩। MWA (মাইক্রোওয়েভ এব্লেশন)
১. TACE (ট্রান্স আরটারিয়াল কেমো এম্বালাইজশন): এই পদ্ধতিতে একটি বিশেষ ধরনের ক্যাথেটার দিয়ে রক্ত নালির মাধ্যমে লিভার টিউমারে প্রবেশ করে এক ধরনের বিশেষ বাহকের সাহায্যে সাধারন কেমোর চেয়ে প্রায় পঞ্চাশ গুন বেশি ঔষধ (কেমো) সরাসরি লিভারে প্রয়োগ করা হয় ও একই সাথে টিউমারে রক্ত প্রবাহ জেল ফোম (Gel Foam) এর মাধ্যমে বন্ধ করা হয়। এই চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে বড় বড় টিউমারকে দুর্বল ও ছোট করে ফেলা সম্ভব হয়। এর কার্যকারীতার হার আনুমানিক ৬০%-৭০% এবং ১ থেকে ১.৫ বৎসর রোগী রোগমুক্ত থাকে। বর্তমানে বড় টিউমার (৮ পস এর চেয়ে বড়) ধবংস করতে TACE এর আগে অথবা পরে আর এফ এ অথবা মাইক্রোওয়েভ এব্লেশন পদ্ধতির সময় করে আরো উনড়বত চিকিৎসা অত্যান্ত সফল ভাবে করা হচ্ছে। এর ফলাফলও খুবই উৎসাহ বাঞ্জাক। প্রায় ৮০%-৯০% রোগীর ক্যান্সার সম্পূর্ন ধবংস হয়ে যায়। এদের অধিকাংশ রোগী অনেক বৎসর সুস্থ্য থাকে।
২. RFA (রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি এব্লেশন)ঃ এই পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে ৫-৬ সেঃ মিঃ লিভার, ফুসপুস ও কিডনী টিউমারকে সম্পূন ধবংস করা সম্ভন হয় অথচ আশেপাশের সুস্থ কোষের কোন ক্ষতি হয় না। এ পদ্ধতির সফলতার হার ৮৫%-৯৫%। এ কারনে ৫-৬ সেঃ মিঃ লিভার ফুসপুস ও কিডনী ক্যান্সার এর চিকিৎসা হিসেবে সারা বিশে আর এফ এ (RFA) সব চেয়ে বেশি সমাদূত। এর পার্শ প্রতিক্রিয়া খুবই কম।
৩. MWA (মাইক্রোওয়েভ এব্লেশন)ঃ মাইক্রোওয়েভ এব্লশন খেরাপি ব্যবহার করে ৮-১০ সেঃ মিঃ টিউমারকে সর্ম্পূন ধবংশ করার বর্তমানে এই পদ্ধতি সবচেয়ে আধুনিক ও শক্তিশালী। এ পদ্ধতিতেও টিউমারের পাশের সুস্থ কোষের কোন ক্ষতি হয় না অথচ টিউমার প্রায় সম্পূর্ণ ধবংশ হয়ে যায়। সফলতার হার ৯০%-৯৫%। একারনেই ৮-১০ সেঃ মিঃ লিভার ফুসপুস ও কিডনী ক্যান্সার এর কার্যকরী চিকিৎসা হিসেবে সাড়াবিশ্বে এখন মাইক্রোওয়েভ থেরাপি ব্যবহৃত হচ্ছে। এর পার্শ প্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে।
